গোপালগঞ্জে চাঁদাবাজির দাবিতে হামলা ও ভাঙচুর করায় থানায় অভিযোগ দায়ের 

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাজুনিয়া গ্রামের ৪নং ওয়ার্ডের গডফাদার দেলোয়ার শেখ।তাদের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে রাজি নয় যদি কেউ মুখ খোলে তাদের রাতের আঁধারে ঘুম এবং খুন অথবা গ্রাম থেকে প্রতারিত করেন গ্রামবাসী মৃত্যুর আশঙ্কায় প্রতিনিয়ত ভুগছে। গোপালগঞ্জ, ৩০ জুন ২০২৫:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার বাজুনিয়া এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগে স্থানীয় এক বাসিন্দার বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং হত্যার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী আরিফ শেখ এ ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আরিফ শেখ (পিতা: দুলাল আমিন শেখ, সাং: বাজুনিয়া, ইউনিয়ন, থানা ও জেলা: গোপালগঞ্জ) উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিবাদীগণের সঙ্গে তার পারিবারিক শত্রুতা চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুন ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাজুনিয়া মোড়ে তাকে দেখে একাধিক ব্যক্তি মিলে গডফাদার দেলোয়ারের গুরুপ মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

ঘটনার পরপরই একই দিন রাত ৮টার দিকে দেলোয়ার সহো  ৯ জন বিবাদী দেশীয় অস্ত্রসহ আরিফের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগে জানানো হয়। তারা আরিফের নাম ধরে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে এবং তাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়। তখন স্থানীয় সাক্ষীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাকে রক্ষা করেন। তবে বিবাদীরা বাধা উপেক্ষা করে তার বসতবাড়িতে ভাঙচুর চালায়। প্রাণভয়ে আরিফ ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ আসার আগেই বিবাদীরা পালিয়ে যায়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় হুমকি দিয়ে বলেন, “এইবার বেঁচে গেলি, পরেরবার রাস্তায় একা পাইলেই খুন করে লাশ গুম করে ফেলবো।”

আরিফ শেখ তার অভিযোগে বিবাদীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন। দেলোয়ার শেখ বলে বিএনপি তাদের পকেটে থাকে, আর প্রশাসন টাকা হলে কিনতে পাওয়া যায়। 

তাদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারেনা, বারেবারে প্রশাসন  ব্যর্থ হয়েছে।

নুরুল আমিন বাবা আসামী দোলোয়ার শেখ  হাদী শেখ,  আরিফ শেখ  বাবা আমিন শেখ ২ নওশের  শেখ বাবা আক্তার শেখ ৩  এহিয়া ভূইয়া  বাবা মজিদ ভূঁইয়া ৪ ফাহাদ শেখ বাবা শহীদ শেখ , ভূমিধসু চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী মাদক ব্যবসা চুরি করবার সাথে জড়িত দেলোয়ার শেখ এবং হাদি এরা পাঁচ বছর আগে ভাত খেতে পারতোনা এখন কোটি টাকার মালিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *