আন্তর্জাতিক ডেক্স:
ডাঃ হাঃ রোডের কোলঘেঁষে, মাদ্রাসা ঠেস
বাস স্টপের নিভৃত কোণে যেন গড়ে উঠেছে এক টুকরো ‘দ্বিতীয় শান্তিনিকেতন’—দঃ ২৪ পরগনার অহঙ্কার ‘নলেজ সিটি’।৮০ তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান নলেজ সিটিতে।
প্রথমে নলেজ সিটির কর্ণধার আব্দুল রব সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিগন ও এই নলেজ সিটির সমস্থ শিক্ষক মন্ডলী গনের উপস্থিতে জাতীয় পতকা উত্তলনের মধ্য দিয়ে বীর শহীদদের সম্মান জানানো হয়।এরপর দেশাত্মবোধ জাতীয় সংগীত গাওয়া হয়।
এবং এই নলেজ সিটি , ছাত্র-ছাত্রীদের অংকৃত চিত্র ফিতে কেটে শুভ উদ্বোধন করলেন নলেজ সিটির কর্ণধর আব্দুর রউফ সহ বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ গন। সারাদিন চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্টান।উপস্থিত ছিলেন নলেজ সিটির কর্ণধার শিক্ষাবিদ আব্দুর রব সহ নলেজ সিটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা বৃন্দ।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকাল ৯ঃ০০ নটা থেকে শুরু হয় ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন অনুষ্ঠান। স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের নাচ দেশাত্মবোধক গান কুচকাওয়াজ সহ একাধিক অনুষ্ঠান হয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে স্রোতাদের আসনে বসেছিলেন অভিভাবকরা।
উল্লেখ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন হারবারের উস্তি থানার রাজারহাট মাদ্রাসার ঠেস নলেজ সিটিতে দিল্লী পাবলিক স্কুল বিএড কলেজ ল কলেজ মেডিকেল কলেজ ফার্মাসিস্ট কলেজ সহ একাধিক স্কুল কলেজ আছে প্রায় 200 বিঘার জমির উপরে শান্তিনিকেতনের আদলে তৈরি এই নলেজ সিটি প্রতি বছর শীতকালে পৌষ মেলা সহ বিভিন্ন সংস্কৃতি অনুষ্ঠান হয়।
একবিংশ শতাব্দীতে আমাদের হারানো গৌরবকে ফিরে পেতে সবাইকে জ্ঞান চর্চায় এগিয়ে আসতে হবে।শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড । শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি স্বাবলম্বী করতে পারে না । একটি জাতির সভ্যতা , সংস্কতির উন্নতি – অবনিত – সবকিছু নির্ভর করে তার শিক্ষার উপর । যে জাতি যত শিক্ষিত সেই জাতি তত উন্নত ও সমৃদ্ধ ।
শিক্ষাহীন ব্যক্তি চোখ থাকতেও অন্ধ আর তাই বলা হয় অজ্ঞাত অন্ধকারের সমতুল্য।জ্ঞান তথা শিক্ষার উপর ভিত্তি করেই প্রতিষ্টিত হয় জাতিসত্তা।মানব জাতির রাজনৈতিক , আর্থ – সামাজিক উন্নতির মূল চালিকা শক্তি হল শিক্ষা ।
মানব জাতিকে একটি সুনির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে তুলতে হলে মানব জাতিরদের কে ও শিক্ষিত করে তুলতে হবে । যখন তারা সেই আদিশা অনুযায়ী তৈরি হবে তখনই একটি সফল সামাজিক বিপ্লব সাধন সম্ভব ।
আজ দুঃখের বিষয় । আমরা মানব জাতিকে মানুষ মুখের সাগরে নিক্ষেপ করতে যতটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছি তাঁর ভগ্নাংশ পরিমাণ যদি শিক্ষার জন্যের করতে পারতাম তাহলে পিছিয়ে পড়ার তকমা নিয়ে ঘুরতে হতনা ।আমরা ভুলে গিয়েছি স্বাধীনতার পূর্বে অবিভক্ত বাংলার লক্ষ কোটি মানুষের মাথার তাজ , যুগসংস্কারক , ধর্মসংস্কারক , স্বাধীনতা সংগ্রামী , শিক্ষাসংস্কারক বিংশ শতাব্দীর বীরসংগ্রামী শহীদের কথা।
মানব সমাজকে শিক্ষার আলােয় আলােকিত করে তুলতে এবং আদর্শবান নেতৃত্ব তৈরি করতে অঙ্গীকারবদ্ধ নলেজ সিটির কর্ণধার শিক্ষাবিদ আব্দুর রব মহাশয়। জাতীয় পতকা উত্তোলনের পর তিনি সাংবাদিকের মুখোমুখি হয়ে বলেন-ভারতবর্ষের অনেক আত্মবলিদানের মধ্য দিয়ে আমর স্বাধীনতা পেয়েছি।
ফলে তারা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন সেই তাদের ইতিহাস আমাদের ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে আমরা তুলে ধরার চেষ্ট করেছি।ফলে আজকের আমরা স্বাধীনতা দিবস আমাদের ছাত্রছাত্রীদের ছুট নেই এই ছুটিটি আমরা আগামী গত আগামীকাল আমরা ছুটি দেব।
আজকের সমস্ত স্বাধীনত দিবসে যে সমস্ত শহীদ হয়েছেন তাদের স্মরণ করার জন্য সমস্ত ছাত্রছাত্রীর একত্রিত করেছি।আমাদের মধ্য কিছু মানুষ আছে বিভেদ সৃষ্ট করার চেষ্টা করছে। বিভাজন সৃষ্ট করার চেষ্টা করছে।
আমাদের এই বর্তমান সমাজ সব থেকে বড় দায়িত্ব আমরা ভারতবাসী।আমরা চেষ্টা করবো আমাদের মধ্য যাতে বিভাজন না আসে। আমাদের মধ্যে যাতে দ্বন্দ্ব না আসে আমাদের মধ্যে যাতে দাঙ্গা না আসে আমরা যেন সুস্থ শান্তির সঙ্গে বসবাস করত পারি এটাই আমাদের আপ্রাণ চেষ্ট করতে হবে।
দেখুন কিছু মানুষ সবসময চেষ্টা করে আমাদের মধ্য বিভেদ সৃষ্ট করা। সেই বিভেদ যাতে না হয় দাঙ্গা যাতে না বাধা সেই চেষ্টাটাই আমাদের সবথেকে বড় সমস্যা কারণ। ভারতবর্ষের এখন সবথেক বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটাই ফল এর থেকে মুক্ত হতে হবে।
আমাদের সবারের মধ্যে সম্প্রীতির ভাবটা গড়ে উঠুক আমাদের মধ্যে ঐক্যের ভাবটা গড়ে উঠুক আমরা ভারতবাসী আমরা মাথা উঁচু করে দাঁড়াবো।বিশ্বের বুক সমস্ত ঐতিহ্যক আমরা রক্ষা করবো।আমাদের সংস্কৃতিক আমরা রক্ষা করবো।আমারা এটাই হচ্ছে আমাদের শিক্ষা।
এখানে বিভিন্ন রকমের অনুষ্ঠান আছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তারা তাদের অনুষ্ঠানগুল করছে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সম্মান জানিযে আজকে সেই অনুষ্ঠানগুলি করছে এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের অন্য ভাবার্ত আমরা মানুষ হয়েছি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের আদর্শ উনি আমাদের প্রেরণ দেন উনার আদর্শক সামনে রেখে আমরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
নলেজ সিট দ্বিতীয় শান্তিনিকেতন হিসেব আমর গড়ে তুলছে রবীন্দ্রনাথের ভাবাদর্শেই আমরা এখানে গড়ে তুলছি।সাংবাদিক প্রশ্ন করেন বন্দেমাতরম প্রাধান্য দেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত মনে করছেন।
তার উওরে তিনি বলেন সমস্ত সংগীত যা সমস্ত সংগীত ভারতবর্ষের ঐক্যের জন্য দরকার সেই সমস্ত সংগীতকেই আমরা গ্রহণ কররো এবং তাকে সম্মান জানাবো ফলে বন্দেমাতরম আমাদের ভারতবাসীদের মধ্যে একটু উন্মাদন সৃষ্টি করেছিল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের মধ্যে ফলে বন্দোমাতরম আমাদের ভালোভাবে গাওয়া দরকার।
বন্দোমাতরম আমাদের সম্মান করতে হবে বন্দেমাতরম আমাদের বুকের মধ্যে ধারণ করতে হবে।আজকের স্বাধীনত দিবস সম্পর্ক আমাদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন প্রধান যারা আছেন এবং ছাত্র ছাত্রী যারা আছেন তার সবাই করবো।
আমি শুধুই বিপরীত কয়েকট কথা বলত চাই স্বাধীনতা আমরা আজকের পেয়েছি 1947 সাল 80 বছর হল এই স্বাধীনত দিনটা আমরা যেমন আনন্দের সঙ্গে গর্বের সঙ্গে পালন করছি এই দিনটাও আবার আমাদের কাছে অত্যন্ত বেদনাদায়ক কষ্ট এবং কাল দিবস কারণ যার স্বাধীনত আন্দোলন ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন যারা শহীদ হয়েছিলেন ফাঁসির মঞ্চে যারা আত্মবলিদান করেছেন সেই সমস্ত শহীদর তাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ছিল ভারতবর্ষকে স্বাধীনতা আনার পরাধীনতা থেকো মুক্তি হওয়ার তার চিন্তাও করেন ভারতবর্ষ দেশটা ভেঙে দুটি টুকর হবে এটা কেউ কল্পনাও করেন।কিন্ত ভারতবর্ষ যখন স্বাধীন হল ব্রিটিশদের যখন নীতী ছিল ডিভাইড এন্ড রুল সেই রুল আমরা আমাদের ভারতবাসী কিছু মানুষ সমর্থন করেছেন।
এবং ভারতবর্ষকে ধর্মের ভিত্তিতে দুট ভাগ করে নিল। এটা ওই হচ্ছে দুর্ভাগ্যের এবং ভারতবর্ষ স্বাধীনতা পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে একদিকে যেমন আমরা আনন্দ করছি ঠিক তেমনি অন্যদিক অসংখ্য মানুষ হাজার হাজার মানুষ আমাদের এই ভারতবর্ষ থেকে তারা চলে যাচ্ছে।পাকিস্তানে আবার পাকিস্তানের থেকে অনেক মানুষ তাদের সমস্ত আমাদের ভারতবর্ষ চলে এসেছে।
এবং তার যা কত কষ্ট অনুভব করেছ ঘর বাড়ি ছেড়ে তার চল আসতে হয়েছে। প্রত্যেককেই আবার এখান থেকেও ঘর বাড়ি ছেড়ে তাদের চলে যেতে হয়েছে এবং তার ফল যা কয়েক হাজার মানুষ শহীদ হয়েছেন তাদের ভূক্তভুগী হয়েছেন।এটা এখন আমরা ভাবতে পার না।
ফলে স্বাধীনতা সংগ্রামীর যা স্বপ্ন দেখেছিল স্বাধীন ভারতবর্ষ আমরা সেখান মাথা তুলে দাঁড়াবো।আমাদের সবার এর স্বাধীনতা থাকবে মত প্রকাশের স্বাধীনত থাকবে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকারের স্বাধীনতা থাকবে আমর সবাই লেখাপড়া করবো।
সেই স্বাধীনতা সেই স্বপ্ন কিন্ত এখন আমর স্বপ্ন পাইনি এখন আমাদের মধ্য কিছু মানুষ আছেন তারা আমাদের মধ্যে বিভাজনে সৃষ্টি করছে।আমাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বাধাবার চেষ্টা করছে।আমাদের মধ্যে দাঙ্গা বাধাবার চেষ্টা করছে। আমরা যদি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আজকের স্মরণ করতে আমাদের উচিত হবে।
এই যারা দাঙ্গা বাধাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার যার প্রতিক্ষাবদ্ধ হতে হবে।আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার তবেই হবে তাদের প্রতি স্বপ্ন এবং তাদের প্রতি সম্মান দেখাবার সুযোগ।
তিনি সবাইকে অনুরোধ করলেন আমরা বিভেদ ভুল বিভাজন ভুল আমরা ভারতবাসী আমরা মাথা তুলে দাঁড়াবো এবং আমরা আমাদের ভারতবর্ষের স্বাধীনতার জন্য অপ্রাণ লড়াই করবো সেই চেষ্টা যাতে সফল হয় আমাদের ছাত্র ছাত্রীর সেই উদ্দেশ্য আজকের এই স্বাধীনতা দিবসটি পালন হচ্ছে।সম্প্রতি এই কর্মমখু র নিকেতনে ১৫ আগস্ট ২০২৬ সালে ভারত তার ৮০তম স্বাধীনতা দিবস যথাযথ মর্যাদায় ও বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালন করেছেন এই নলেজ সিটি ।
কুচকাওয়াজ ও উৎসব অনুষ্ঠিত হয়,ডাঃ হাঃ রোডের কোলঘেঁষে, মাদ্রাসা ঠেস বাস স্টপের নিভৃত কোণে এই নলেজ সিটি জুড়ে দেশাত্মবোধক নানা কর্মসূচি ও বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।এই নলেজ সিটি যেন দঃ ২৪ পরগনার অহঙ্কার দ্বিতীয় শান্তিনিকেতন নলেজ সিটি রুপ হিসাবে পরিলক্ষিত হতে চলেছে।